Monday, July 15, 2024
spot_img
spot_img
Homeখবর৯ মাস ধরে বাবা নিখোঁজ - বাড়িতে অসুস্থ মা! জলপাইগুড়ি এসপি অফিসে...

৯ মাস ধরে বাবা নিখোঁজ – বাড়িতে অসুস্থ মা! জলপাইগুড়ি এসপি অফিসে অভিযোগ করল মেয়ে সঞ্চিতা রায় ও সমাজকর্মী শুভদীপ!!

৯ মাস ধরে বাবা নিখোঁজ – বাড়িতে অসুস্থ মা! জলপাইগুড়ি এসপি অফিসে অভিযোগ করল মেয়ে সঞ্চিতা রায় ও সমাজকর্মী শুভদীপ!!
জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত লাটাগুড়ি ডুয়ার্স তথা লাটাগুড়ি শিবডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা “সুন্দর মোহন রায়” – বয়স ৪০ এর এক ব্যক্তি দীর্ঘ ৯ মাস ধরে নিখোঁজ তার পরিবার সূত্রে জানা যায় তিনি পেশায় একজন রিক্সা চালক, এবং পরিবারের অভিভাবক হিসেবে পরিবারের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দেওয়ার তিনি ছিলেন একমাত্র ভরসা! সুন্দর মোহন রায়ের স্ত্রী পূর্ণবালা রায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কঠিন রোগে আক্রান্ত! স্ত্রীর চিকিৎসা, এবং ছেলে মেয়ের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য যে প্রকার অর্থ প্রয়োজন তা জোগাড় করা তার পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছিল না! তাই তিনি- মালদার এক ঠিকাদার তথা “রাজীব খান” নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে কলকাতায় সাটারিং কাজের উদ্দেশ্যে জান! সুন্দর মোহন রায় ছাড়াও আরো সাতজন যুবক লাটাগুড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় রাজীব খান! যে সকল যুবক রাজীব খানের সঙ্গে জান তারা সকলেই লাটাগুড়ির স্থানীয়!- সানুথাপা,, সুদীপ দত্ত,, কারমা লোহার,, পুনরায়,, বাপি বর্মন,, ডোলো রায়,, হরিপদ রায়,,! সুন্দর মোহন রায়ের বড় মেয়ে সঞ্চিতা রায় জানান আমার বাবা সহ মোট 8 জন যুবককে বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় “রাজীব খান!

তারা বাসে বা জাতীয় সড়ক দিয়ে না গিয়ে লাটাগুড়ি কলোনি পাড়ার ভেতরের রাস্তা দিয়ে ময়নাগুড়ি স্টেশনে জান সেখানে ট্রেন ধরে রাতে মালদা পৌঁছন রাজীব খানের বাড়িতে রাতে থাকেন! রাজীব খান তাদের একটি ঘরে বিশ্রাম নিতে বলে ঘরের তালা মেরে দেন! পরের দিন সকালে তাদের নিয়ে মালদা স্টেশনে পৌঁছে ফারু খান নামে এক অন্য ঠিকাদারে হাতে তুলে দেন! এবং তাদের কলকাতার বদলে চেন্নাইতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল! সেই পরিকল্পনা কেউ বুঝতে পারেননি! হাওড়া অব্দি পৌঁছে তারা একটি হোটেলে খাওয়ার জন্য যান আর সেখান থেকে সুন্দর মোহন রায় কোনভাবে আবার মালদা চলে আসেন! এবং তার মেয়ে সঞ্চিতা রায় কে এক অপরিচিত ব্যক্তির ফোন থেকে ফোন করে বলেন তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে তার কাছে অর্থ নেই তিনি মালদা স্টেশনেই আছেন তখন ঘড়ির কাঁটায় ভোট তিনটা! সঞ্চিতা রায় এবং জ্যাঠা তো দাদা শুভঙ্কর রায় মালদা স্টেশনে যান! কিন্তু তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি!

তারা স্টেশনে সিসিটিভি ফুটেজ দেখেন সেখানে সুন্দরমোহন রায় কে হাঁটতে দেখা যায় কিন্তু তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না! সুন্দর মোহন রায়ের মেয়ে সঞ্চিতা রায় জানান আমরা মালদা স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই রাজীব খান আমার বাবাকে অন্য কোথাও নিয়ে যায় বলে সুন্দর মোহন রায়ের পরিবারের সন্দেহ! সমাজকর্মী শুভদীপ মজুমদার বলেন সুন্দর মোহন রায় আমাদের লাটাগুড়ির একজন স্থানীয় ব্যক্তি তার নিখোঁজ সংক্রান্ত বিষয় তার মেয়ে সঞ্চিতা রায়ের কাছ থেকে জানতে পেরেছি বিষয়টি ক্রান্তি ফাঁড়ি থানাতে জানানো হয়েছে! অভিযোগ পত্রে রাজীব খানের ফোন নাম্বার এবং এড্রেস দেওয়া হয়েছে! রাজীব খান আমাদের লাটাগুড়িতে বেশ কিছু বাড়িতে ভাড়া ছিল তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারি রাজীব খান প্রায় দেড় বছর থেকে দু বছর আমাদের লাটাগরিতে ছিলেন লাটাগুড়ি স্টেশন পাড়াতে কলোনিপাড়াতে এবং দাসপাড়ায় রাজীব খানের একটি বাইক এখনো লাটাগরির এক স্থানীয় যুবক বাইক মেকানিকের বাড়িতে রয়েছে! সমস্ত তথ্য এবং প্রমাণ ক্রান্তি ফাঁড়ির থানার ওসি মনসুর উদ্দিন এবং প্রিয়নাথ অধিকারী স্যারদের জানিয়েছি! এবং আগামীকাল জলপাইগুড়ি এসপি অফিস এ গিয়ে লিখিতভাবে একটি অভিযোগ করা হয়েছে এসপি স্যার আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি এই বিষয়টি দেখবেন! ইতিমধ্যে রাজীব খান ক্রান্তিফারি প্রশাসন তথা প্রিয়নাথ অধিকারী স্যারকে ফোন করে পাঁচ লাখ টাকার একটি এগ্রিমেন্টর কথা জানিয়েছে কিন্তু পরিবার এবং আমরা কেউ এই বিষয়ে সহমত নই প্রশাসনের কাছে অনুরোধ যাতে দ্রুত রাজিব খান কে এরেস্ট করা হয় এবং তদন্ত করে সুন্দরমোহন রায়কে ফিরিয়ে আনা হোক!!

আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনা, আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে পাঠিয়ে দিন:- 9434674111
আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনা, আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে পাঠিয়ে দিন:- 9434674111

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments