Sunday, December 4, 2022
spot_img
spot_img
Homeখবরকরোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী করে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী, মন্তব্য প্রতাপের।

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী করে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী, মন্তব্য প্রতাপের।

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী করে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী, মন্তব্য প্রতাপের।

এস এস হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের রাজ্য কমিটির কার্যকরী সদস্য প্রতাপ চুনারী মন্তব্য করে বলেন, জনসাধারণ কোথাও ভিড় করলে পুলিশের অত্যাচারে টেকা যায়নি, মুখে মাস্ক না পড়লে লেগেছে ফাইন এবং খেতে হয়েছে মার, বাজারে ভিড় করা যাবে না, দোকানে ভিড় করা যাবে না, দোকান খুললে দোকানের মালপত্র পুলিশকে ফেলে দিতে চোখে পড়েছে আমাদের, সরকারি কোন অফিসে গেলে মুখে মাস্ক বাধ্যতামূলক, পোস্ট অফিস থেকে শুরু করে পুলিশ স্টেশন, বিডিও অফিস বা যে কোনও অফিসে মস্ক না থাকলে করছে অপমান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং টেলিভিশনে নেতা-মন্ত্রীরা পোষ্টের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানাচ্ছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন, কিন্তু নেতা-মন্ত্রীরা যেখানে সেখানে জনসভা ডাকছেন, যেখানে সেখানে মিটিং-মিছিল চলছে সর্বত্র, কোনরকমে করোনা বিধি মানতে দেখা যাচ্ছে না নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে জনসাধারণকে।

প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকদিন টেলিভিশনের মাধ্যমে দেখা যায় জনসাধারণকে সাবধান করতে, করোনা বিধি মেনে চলার জন্য বিভিন্ন রকমের নির্দেশও দেন তারা, কিন্তু নিজেদের পার্টির নেতা মন্ত্রীদের কোনরকমে সতর্ক করছেন না তারা, সমস্ত পার্টির নেতাদের দেখা গিয়েছে, করোনা বিধি নিষেধের নিয়ম ভেঙে জনসমাবেশ থেকে শুরু করে মিটিং মিছিল চলছিল রমরমিয়ে। মহামারী করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন রাজ্যের একাধিক মানুষ, প্রতিনিয়ত সংক্রমণের প্রকোপ আকাশ ছোয়া, তবুও যেন টনক নড়ছে না দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। কেউ বলছে আমার পার্টি জিতবে, কেউ বলছে আমার পার্টি জিতবে, কিন্তু যাদের নিয়ে পার্টি জেতাবেন তাদের সুরক্ষিত রাখার কথা ভাবছেন না সেভাবে।

মৌখিকভাবে কোনরকমে সতর্ক করছেন, কোন মিটিংএ 1 লক্ষ লোক, কোন মিটিং এ 50 হাজার মানুষ, কোন মিছিলে 30000, কোন জনসভায় কুড়ি হাজার, আর ব্রিগেড ময়দানের কথা তো বলাই বাহুল্য। করোনা আক্রান্ত হলে সঠিক চিকিৎসা তো দূরের কথা, সঠিক ব্যবহার করছে না হাসপাতালের নার্স, ডাক্তার থেকে শুরু করে কর্তৃপক্ষের একাংশ, এরকম চিত্র আমরা প্রায়ই দেখতে পাই টেলিভিশনে।

করোনা সংক্রমনের জেরে, এস এস হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগ অনেকদিন থেকেই বন্ধ রাখা হয়েছে, সমস্ত করোনা বিধি মেনে কোনরকমে অধিকার লংঘন হওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে, মানবাধিকারের সর্বভারতীয় সভানেত্রী সঙ্গীতা চক্রবর্তী মহাশয়ার নির্দেশ অনুযায়ী, প্রায়ই জেলার অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে। আজকের দিনে যে পরিস্থিতি এসে দাঁড়িয়েছে, সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে মৃত্যু এসে পৌঁছেছে, এর জন্য একমাত্র দায়ী কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকার।

কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার কোন দলকে জনসমাগমের নিষিদ্ধ করেনি এবং নিজেরাও কোনরকমে করোনা বিধি মেনে চলেননি। মিটিং-মিছিল হলে, মিটিং বা মিছিলে লোকজন বাড়ানোর জন্য জোর করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এলাকার লোকজন। এভাবে সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলা হচ্ছে, তীব্র নিন্দা জানাই এই ঘটনার। এখন পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার পরেই টনক নড়েছে মন্ত্রীদের, এখন বলছেন কোন মিটিং মিছিল করা যাবে না।

এতদিন ভোট ভোট করে সবাই ব্যস্ত ছিলেন, সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলে দিয়ে এখন আপনাদের জ্ঞান এসেছে। ভারতে বা পশ্চিমবঙ্গে যা হচ্ছে, দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই হচ্ছে। সবার মুখেই ভোট ভোট ছাড়া কোনো কথাই শোনা যাচ্ছে না। অতিরিক্ত পরিমাণে করোনা থাবা বসানোর জন্য, এখন বলছেন সাবধানে থাকুন, ঘরে থাকুন, মাস্ক পড়ুন, মিটিং-মিছিলে যাবেন না। এতদিন ধরে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে এখন ঘরে বসে জনসাধারণকে সতর্ক করছেন। এটা অতিরিক্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা, তাই সরকারের কাছে একান্ত অনুরোধ, করোনা আক্রান্ত সাধারণ মানুষকে সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন এবং কোনরকম পেসেন্টের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা যাবেনা এগুলো নিয়ন্ত্রণ করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments